
গাজার দক্ষিণাঞ্চলে শরণার্থী শিবির হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২২ ফিলিস্তিনি নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন।
এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার জেইতুন এলাকায় অবস্থিত ওই স্কুলটিতে হামলায় হতাহতদের অধিকাংশই শিশু ও নারী।
ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, একটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এক প্রেস বিবৃতিতে গাজায় হামাস পরিচালিত সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, গাজা সিটির দক্ষিণে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষের ওই স্কুলে বোমা হামলায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘ভয়াবহ গণহত্যা’ চালিয়েছে।
বিবৃতিতে এই অপরাধ অব্যাহত রাখার জন্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং মার্কিন প্রশাসনকে পুরোপুরি দায়ী করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলকে তার অপরাধ বন্ধ করতে বাধ্য করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচে আদ্রেই এক প্রেস বিবৃতিতে বলেছেন, গোয়েন্দা নির্দেশনায় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো গাজা সিটির একটি স্কুলের কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল কমপ্লেক্সে তৎপর হামাস জঙ্গিদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
আদ্রেই বলেন, ইসরায়েল ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী’ অভিযানের পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে হামাস সন্ত্রাসীরা এই কমপ্লেক্সটি ব্যবহার করছিল।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৪১ হাজার ৩৯১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
সুত্রঃ ইউএনবি নিউজ